টানা দ্বিতীয় দিন কমল সোনার দাম, ভরিতে কমেছে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা

দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমেছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর)ও বাজুস সোনার দাম কমিয়েছিল।
শনিবার সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেজাবি সোনা ও রুপার দাম কমে যাওয়া বিবেচনায় নিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী হলমার্ক করা ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার গয়নার দাম ১৮ হাজার ৬৫৫ টাকা। সেই হিসাবে এক ভরি, অর্থাৎ ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা।
২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ হাজার ৮১৫ টাকা, এক ভরির দাম ২ লাখ ৭ হাজার ৭৯৪ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ১৫ হাজার ৩০০ টাকা, এক ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা।
সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে এক ভরির দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ টাকা।
শুক্রবারের দরের তুলনায় ২২ ক্যারেটে প্রতি গ্রামে ৪৭০ টাকা কমানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটে প্রতি গ্রামে কমেছে ৪৫০ টাকা, এক ভরিতে প্রায় ৫ হাজার ২৪৯ টাকা। ১৮ ক্যারেটে প্রতি গ্রামে কমেছে ৩৮৫ টাকা, এক ভরিতে প্রায় ৪ হাজার ৪৮১ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি গ্রামে কমেছে ৩১৫ টাকা।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। হলমার্ক করা ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি গ্রাম ৩০০ টাকা, ২১ ক্যারেট ২৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি গ্রাম ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, গয়নার নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদা ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
পুরোনো গয়না বদলের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে নির্ধারিত মূল্যের ওপর ১২ শতাংশ বাদ দিতে হবে। পুরোনো গয়না কেনার ক্ষেত্রে বাদ দিতে হবে ১৮ শতাংশ। এক্সচেঞ্জ ও কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।
এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ও বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুই দফায় সোনার দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। শুক্রবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা, যা নতুন সিদ্ধান্তে কমে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা হয়েছে।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন দাম কার্যকর থাকবে।




