ব্রঙ্কসে নিহত কিশোরের মায়ের ভিসা দিতে ট্রাম্প সম্মত, জানালেন মেয়র মামদানি
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের পর ব্রঙ্কসে গুলিতে নিহত ১৫ বছর বয়সী ঘানার কিশোরের মায়ের ভিসা দেওয়া হবে।
শনিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মামদানি লেখেন, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে জাভিটস ফ্রিমপংয়ের বিষয়ে কথা বলেছেন। কিশোরটির মা ছেলের সঙ্গে শেষ বিদায় জানাতে নিউইয়র্কে আসতে চাইছেন।
মেয়র লেখেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর ভিসা ‘অবিলম্বে’ দিতে সম্মত হয়েছেন।
পোস্টে মামদানি লেখেন, “একটি সন্তানের হত্যা এমন এক যন্ত্রণা, যা কোনো বাবা-মায়েরই সহ্য করা উচিত নয়—হাজার হাজার মাইল দূর থেকে তো নয়ই।”
ফ্রিমপংয়ের জীবনের শেষ মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে অন্য তিন কিশোর তাকে ধাওয়া করছিল। তার পেটে গুলি লাগে এবং একই দিন হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
কিশোরটির জন্য শহরজুড়ে আয়োজিত শোকসভায় হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন।
১৫ বছর বয়সী ফ্রিমপং তার বাবাকে বলেছিল, স্কুলে তাকে বুলিং করা হতো। তার বাবা থমাস ফ্রিমপং পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা তাকে “ছেলের জন্য ন্যায়বিচার” পেতে সাহায্য করে।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাটি তদন্ত করছে, তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
ভালো জীবনের আশায় এক বছর আগে বাবা-মা ফ্রিমপংকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে এসেছিলেন।
ব্রঙ্কসের প্রতিনিধিত্বকারী কংগ্রেসম্যান রিচি টরেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “আমাদের পুরো বরো এমন এক তরুণের জন্য শোক করছে, যার সামনে পুরো ভবিষ্যৎ পড়ে ছিল।”
ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যাম ওকুদজেতো আবলাকওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, ঘানার কর্মকর্তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছেন এবং জাভিটসের মাকে তার ভিসা আবেদনে সহায়তা করছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে বেশ কয়েকটি আফ্রিকান দেশ থেকে ভিসা আবেদন কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে।

