মিরপুর জয়ের পর সিলেটে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের

মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে সহজে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চার দিনে ৮ উইকেটের জয়ে ক্যারিবীয়দের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে। এবার তাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করা। ৫ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্ট।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারলেও ঘরের মাঠে সবশেষ সাত টেস্টের পাঁচটিতেই জয় রয়েছে বাংলাদেশের। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ সেরা পাঁচে থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ অবস্থান করছে আট নম্বরে। মিরপুর টেস্টে ফ্লাডলাইট সমস্যা ও বৃষ্টির বাগড়ায় অনেক ওভার নষ্ট হলেও ক্যারিবীয়রা দাপুটে জয় পেয়েছে।
ড্যারেন স্যামির মতে, বাংলাদেশের মাঠে জয় পাওয়া সহজ নয়। দলের লক্ষ্য নিয়ে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের (সিডব্লিউআই) ভিডিও বার্তায় উইন্ডিজ কোচ বলেন, ‘মানসিকতা একই। তবে জয়ের ক্ষুধা একটু বেশি। অধিনায়কও খেলোয়াড়দের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। বাংলাদেশ সফরে আসার পর থেকেই আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার। বছরটি ভালো ফল দিয়ে শেষ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে লড়াই যে সহজ হবে না, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন ক্যারিবীয় কোচ। তাঁর প্রতিপক্ষ দলের কোচ আরেক ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ফিল সিমন্স, যাঁর অধীনে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি যেমনই হোক, টেস্টে ভালো খেলছে বাংলাদেশ। স্যামি বলেন, ‘ফিল সিমন্সের জন্য কাজটা (বাংলাদেশকে হারানো) কঠিন হবে। তিনিও জিততে চান। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশেরও নিজস্ব লক্ষ্য রয়েছে। তবে আমার দলের খেলোয়াড়দের ক্ষুধা, কঠোর পরিশ্রম এবং প্রস্তুতি দেখে মনে হচ্ছে, সিলেটে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজ জয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে স্যামি আরও বলেন, ‘এই সফরে কী অপেক্ষা করছে, সে বিষয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল পুরোপুরি সচেতন। বার্বাডোজে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চক্র শুরু হওয়ার সময় যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, আমরা নির্ধারিত সে লক্ষ্য অর্জন করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
প্রথম টেস্টে অধিনায়ক রস্টন চেজ ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও ঘূর্ণি দেখিয়েছেন। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে তিনি কোচের কাছ থেকে বিশেষ পুরস্কারও পেয়েছেন। প্রথম ম্যাচের জয় ধরে রেখে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করাই এখন সিলেট টেস্টে উইন্ডিজের লক্ষ্য।



