মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমুসহ আওয়ামী লীগের ৭ শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের সাত নেতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) দাখিল করা হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম।
অভিযুক্ত সাত নেতা হলেন—সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক পর্যটনমন্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দলটির যুগ্ম সম্পাদক ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, আমির হোসেন আমুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ইতিমধ্যে প্রসিকিউশনে দাখিল করা হয়েছে এবং সেটি নিয়ে ফরমাল চার্জ প্রস্তুত করা হয়েছে। সোমবার সেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিলের মধ্য দিয়ে মামলাটি পরবর্তী ধাপে গেল।
চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সাত নেতার বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি বা ঊর্ধ্বতন দায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, তাঁরা বৈঠকে ছিলেন এবং জুলাই গণহত্যার সিদ্ধান্তে তাঁরা ছিলেন—এসব অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।
এ ছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে ডা. দীপু মনি ও ড. আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের মামলার আসামি হিসেবেও রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।




