যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঙ্গরাজ্যে ভোট গুনতে সময় বেশি লাগে
যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোতে ব্যালট গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণের নিয়ম এক নয়। এ কারণে অঙ্গরাজ্যভেদে ভোট গণনার গতিতেও পার্থক্য দেখা যায়। কোনো রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার খানিক পরেই ফলাফলের বড় অংশ জানা গেলেও অন্য রাজ্যে পুরো হিসাব পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।
ভোট গণনায় সময় বেশি লাগার পেছনে কয়েকটি বিষয় কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার প্রচলন এবং আগাম ভোটের ব্যালট প্রক্রিয়াকরণ ও গণনার নিয়ম। রাজ্যভেদে এসব নিয়ম আলাদা হওয়ায় গণনার ছন্দও আলাদা হয়।
বেশির ভাগ অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের দিন আসার আগেই নির্বাচনকর্মীরা ব্যালটের খাম খুলে ভোটারের যোগ্যতা যাচাই করতে পারেন। ফলে নির্বাচনের দিনের আগেই প্রস্তুতিমূলক কাজের বড় অংশ শেষ হয়ে যায়।
আবার ফ্লোরিডাসহ প্রায় অর্ধেক অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের আগেই ব্যালট স্ক্যান করে গণনার যন্ত্রে সংরক্ষণের অনুমতি রয়েছে। ফলে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই এসব ব্যালট গণনা করে নির্বাচনের রাতেই ফলাফলে যুক্ত করা যায়।
তবে মিশিগান ও উইসকনসিনসহ কিছু অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের আগে ডাকযোগে আসা ব্যালটের খাম খোলার অনুমতি নেই নির্বাচনকর্মীদের। সেখানে খাম খোলা থেকে গণনা পর্যন্ত সব কাজই নির্বাচনের দিনের পর করতে হয়।
আগের নির্বাচনগুলোতে এসব অঙ্গরাজ্যের কিছু এলাকায় রাতে বিপুলসংখ্যক ভোট আসা এবং একসঙ্গে অনেক ব্যালট গণনায় যুক্ত করার ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এ ধরনের ঘটনাকে ‘লেট নাইট’ ভোট আসা এবং ‘ব্যালট ডাম্প’ বলা হয়।
কিছু অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের দিন পার হওয়ার পরও ডাকযোগে আসা ব্যালট গ্রহণ করা হয়। এতে ভোট গণনা ও মোট ভোটের হিসাব প্রকাশে দেরি হতে পারে, ফলে সেসব রাজ্যের চূড়ান্ত চিত্র পেতে অপেক্ষা করতে হয়।




