নিউ হ্যাম্পশায়ারে সাবেক সিনেটর সুনুনুকে হারিয়ে জয়ী ডেমোক্র্যাট ক্রিস পাপাস, সিনেটে প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট ক্রিস পাপাস। ঘনিষ্ঠ লড়াইয়ে সাবেক সিনেটর জন সুনুনুকে হারিয়ে তিনি উন্মুক্ত আসনটি রিপাবলিকানদের হাতে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছেন।
পাপাস চার মেয়াদের ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে দায়িত্ব পালন করা প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ হবেন।
৪৬ বছর বয়সী পাপাস মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একজন মধ্যপন্থী কণ্ঠ, যিনি মাঝে মাঝে বড় আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে নিজ দলের অবস্থান থেকে সরে গেছেন। সিনেট প্রচারণায় তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরায় মনোযোগ দেন; গ্রানাইট স্টেট নামে পরিচিত নিউ হ্যাম্পশায়ারে ওই প্রশাসন অজনপ্রিয়।
অবসরে যাওয়া ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জিন শাহিনের উত্তরসূরি হওয়ার এই লড়াই ডেমোক্র্যাটদের জন্য শেষ দিকে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছিল। মধ্যপন্থী পাপাস সুনুনুর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে আটকে ছিলেন।
পাপাস কয়েকজন বিশিষ্ট ডেমোক্র্যাটের সমর্থন পেয়েছেন। তিনি সুনুনুকে একজন ভান করা মধ্যপন্থী হিসেবে তুলে ধরেন, যিনি শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের কর্মসূচিতে সায় দেবেন; সুনুনু একসময় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘লুজার’ বলেছিলেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের নিম্ন জনপ্রিয়তার হারকে কাজে লাগাতে চেয়েছেন পাপাস। প্রচারণায় তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে শুরু করে ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’-এ থাকা মেডিকেইড কর্তন পর্যন্ত নানা অজনপ্রিয় নীতির কথা তুলে ধরেন।
অন্যদিকে সুনুনু নিজেকে স্বাধীনচেতা প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি এর আগে নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন সিনেটে, ২০০৮ সালে আসনটি হারানোর আগ পর্যন্ত।
প্রেসিডেন্টের সমর্থন পাওয়া সত্ত্বেও সুনুনু ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব রাখার চেষ্টা করেন। তিনি ইরান যুদ্ধের সমালোচনা করেন, ইউক্রেনকে সমর্থনে প্রশাসন যথেষ্ট করছে না বলে অভিযোগ করেন এবং সম্প্রতি এক প্রচারণা বিজ্ঞাপনে এমনকি দাবি করেন, তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ‘কখনো দেখাই করেননি’।




