কেইন গোল না পেলেও কার্ল-লাইমেরের গোলে আতলেতিকোর মাঠে বায়ার্নের ২–০ জয়

মাদ্রিদে আতলেতিকোর মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ২–০ গোলে জিতেছে বায়ার্ন মিউনিখ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতের এই ম্যাচে বায়ার্নের দুটি গোলই আসে দ্বিতীয়ার্ধে — ৫৪তম মিনিটে লেনার্ট কার্ল ও ৭৪তম মিনিটে কনরাড লাইমের গোল করেন।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আতলেতিকো। দ্বিতীয় মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে রক্ষা পায় বায়ার্ন। এরপর পাবলো বারিওস ও আলভারেজ আবার চেষ্টা করলেও কেউ জালের দেখা পাননি।
ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বায়ার্ন। লেনার্ট কার্ল ও কনরাড লাইমের প্রথমার্ধেই গোলের কাছাকাছি গিয়েছিলেন। ২৭তম মিনিটে হ্যারি কেইনের সামনে আসে বড় সুযোগ, তবে বক্সের ভেতর থেকে তাঁর ভলি লক্ষ্যে থাকেনি। আলেকসান্দার সরলথও একটি ভালো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি, ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে।
বিরতির পরপরই চাপ বাড়ায় বায়ার্ন। ৪৬তম মিনিটে জশুয়া কিমিখের শট ঠেকিয়ে দেন আতলেতিকো গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক। এরপর কেইনও সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর প্রচেষ্টাও সফল হয়নি। ইংলিশ স্ট্রাইকার কেইনের জন্য পুরো রাতটাই ছিল গোলহীন — একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও জালের দেখা পাননি তিনি।
অবশেষে ৫৪তম মিনিটে ভাঙে অচলাবস্থা। আতলেতিকোর ডিফেন্ডার রবিন লে নরমাঁ বল ক্লিয়ার করতে দেরি করলে সুযোগ বুঝে বল কেড়ে নেন কার্ল এবং খুব কাছ থেকে ওবলাককে পরাস্ত করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন। ১৮ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি প্রথম গোল।
গোল খেয়ে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করে আতলেতিকো, তবে বায়ার্নের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। উল্টো ৭৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সফরকারীরা — হ্যারি কেইনের কাছ থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শটে গোল করেন লাইমের।
শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন দাইয়ো উপামেকানো। তাঁর একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে এবং পরে তাঁর একটি গোল ফাউলের কারণে বাতিল হয়। আতলেতিকোর হয়ে দাভিদ হানচকোও সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর প্রচেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এই জয়ে চার ম্যাচে দুই জয় ও দুই ড্রয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বের টেবিলে আট নম্বরে উঠে এসেছে বায়ার্ন। অন্যদিকে চার ম্যাচে দ্বিতীয় হারের পর ৪ পয়েন্ট নিয়ে ২২ নম্বরে নেমে গেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।




