হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ: বাংলাদেশ ব্যাংকের তহবিলে যুক্ত হলো এনআরবিসি ব্যাংক
দেশের রপ্তানিমুখী হিমায়িত খাদ্য খাতের বিকাশ, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা জোরদারে উদ্যোক্তাদের ঋণ সুবিধা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি। চুক্তিটি হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক্-অর্থায়ন তহবিলের আওতায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত এই তহবিলের আওতায় হিমায়িত চিংড়ি, মাছ, মৎস্যজাত পণ্য এবং অন্যান্য হিমায়িত খাদ্যপণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা মাত্র ৭ শতাংশ সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ-২-এর পরিচালক একেএম সাইদুজ্জামান এবং এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. তৌহিদুল আলম খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহিন হাওলাদার এবং এসএমই-এগ্রি বিজনেস বিভাগের প্রধান মো. রমজান আলী ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মুহাম্মদ আনছারুল কবির, যুগ্ম পরিচালক তানজিয়া সুলতানাসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তির আওতায় এনআরবিসি ব্যাংকের অর্থায়নে রপ্তানিযোগ্য হিমায়িত খাদ্যপণ্যের কাঁচামাল সংগ্রহ, বাণিজ্যিক চাষাবাদ, কারখানার আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সুযোগ তৈরি হবে। হিমাগার ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনেও এই অর্থায়ন ব্যবহার করা যাবে।
এই অর্থায়নের আওতায় বন্ধ বা আংশিক বন্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পুনরায় চালু করার সুযোগও তৈরি হবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।
এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ এবং উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে অর্থায়ন সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যাংকটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


