পেরুর বিমানবন্দরে মোজায় লুকানো তিন হাজারের বেশি ট্যারান্টুলাসহ আটক তিন যাত্রী

পেরুর কায়াও বিমানবন্দরে তিনটি স্যুটকেসে মোজার ভেতরে লুকানো তিন হাজারের বেশি জীবন্ত ট্যারান্টুলা মাকড়সা পাওয়া গেছে। গত ৩ নভেম্বর এই ঘটনা ঘটে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
স্যুটকেস তিনটির মালিক দুজন জার্মান নাগরিক ও একজন পোলিশ নাগরিক। তাঁরা জার্মানিগামী একটি ফ্লাইটে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। চেক-ইনের সময় তাঁদের থামানো হয়।
পেরুর জাতীয় বন ও বন্যপ্রাণী সেবা সংস্থা সারফর জানিয়েছে, একটি বেনামি তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। এরপর স্যুটকেসগুলো তল্লাশি করে প্রতিটির ভেতরে ১৫ থেকে ২২টি করে মোজা পাওয়া যায়, যেগুলোর ভেতরে বিভিন্ন প্রজাতির মাকড়সা লুকানো ছিল।
জব্দ করা মাকড়সাগুলোর মধ্যে ডিম, ছোট মাকড়সা ও পূর্ণবয়স্ক ট্যারান্টুলা—সব পর্যায়েরই ছিল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সারফরের বন্যপ্রাণী নিয়ন্ত্রণ কারিগরি কর্মকর্তা কোরা সুয়ারেজ বলেন, এসব প্রজাতি সংগ্রাহকদের কাছে আকর্ষণীয়—রং ও আকারের কারণে, আর সবচেয়ে বড় কথা, এগুলো সংগ্রাহকদের জন্যই নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
তিন যাত্রীকে পেরুর পরিবেশ অপরাধ পুলিশ আটক করেছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, একটি বিশেষায়িত পরিবেশ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের নেতৃত্বে তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম চলবে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ কিথ জেফরিস বলেছেন, বাজার থাকলেই মানুষ অস্বাভাবিক উপায়ে বন্যপ্রাণী পাচারের চেষ্টা করে এবং এ ধরনের ঘটনা যতটা ভাবা হয়, তার চেয়ে বেশি ঘটে।
মোজায় জীবন্ত প্রাণী লুকিয়ে পাচারের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। গত আগস্টে টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে ২২ জোড়া মোজায় প্রায় ২০০টি টিকটিকি প্যাক করা অবস্থায় পাওয়ার পর ২৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।




