ইবিতে খুলনা অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) গণিত বিভাগের আয়োজনে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে খুলনা অঞ্চলের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ গণিত সমিতি এবং এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই অলিম্পিয়াডে খুলনা অঞ্চলের ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ও ১১টি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭টি বিভাগের শিক্ষার্থীসহ খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা।
অলিম্পিয়াডের আহ্বায়ক ছিলেন ইবির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক এবং জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল আলম সরকার।
আয়োজকরা জানান, সকল প্রতিযোগীর জন্য থাকছে টি-শার্ট ও সনদপত্র। বিজয়ীদের জন্য থাকছে ক্রেস্ট ও সনদপত্র।
এ ছাড়া চূড়ান্ত পর্বে সেরা ১০ জন প্রতিযোগীর জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় অর্থ পুরস্কার। দেশের সেরা ৩ জন প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশন আর্থিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ গণিত সমিতি সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে বলে আয়োজকরা জানান।
উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন বলেন, ১৯৯৪ সালে কায়কোবাদের হাত দিয়ে গণিত অলিম্পিয়াডের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ দেশের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অনেকটাই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। গণিতকে শিক্ষার্থীদের মাঝে সহজ ও বোধগম্য করে তোলার জন্যই গণিত অলিম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ডিজিটালাইজেশন ও এআইয়ের যুগে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের এই উপস্থিতি সত্যিই চমৎকার ও গুরুত্বপূর্ণ। গণিত কেবল একটি একাডেমিক বিষয় বা ক্যালকুলাস নয়; এটি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও যৌক্তিক যুক্তির মূল ভিত্তি। একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে গণিতের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।



