হোয়াইট হাউসের কাছে গাড়িতে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ভেনেজুয়েলার নাগরিক গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউসের কাছে গাড়িতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) বিবৃতি অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন।
ওয়াশিংটনের কনস্টিটিউশন অ্যাভিনিউতে পার্ক করা গাড়িতে ওই ব্যক্তিকে ‘সন্দেহজনক আচরণ’ করতে দেখেন কর্মকর্তারা। তারা কাছে গেলে তিনি বলেন, মাথার ভেতর ‘কণ্ঠস্বর’ শুনেছেন, যা তাকে ট্রাম্পকে হত্যা করতে বলছে।
এরপর জানা যায়, গাড়িটি চুরির বলে রিপোর্ট করা হয়েছিল। সন্দেহভাজন নিজেই স্বীকার করেন, তার গাড়িতে অস্ত্র আছে।
তল্লাশিতে একটি রাইফেলসহ তিনটি ভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র এবং কয়েক ডজন রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়। এরপর কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার করেন।
সন্দেহভাজনের পরিচয় জানানো হয়েছে ভেনেজুয়েলার নাগরিক রনি ইয়োরড্রিক্স গুয়ানিপা ক্রিনোস হিসেবে।
বিপজ্জনক অস্ত্র রাখা ও চুরিসহ একাধিক অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএইচএস। বর্তমানে তিনি মার্কিন মার্শাল সার্ভিসের হেফাজতে রয়েছেন।
ডিএইচএস জানিয়েছে, ক্রিনোস ২০২৪ সালের মার্চে টেক্সাস দিয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে তার বিরুদ্ধে হুমকির ঘটনায় ধারাবাহিক গ্রেপ্তারের সর্বশেষ ঘটনা এটি।
সিক্রেট সার্ভিসের পরিচালক শন কারান বলেন, ‘এই ঘটনা আমাদের কাজের উচ্চ হুমকির পরিবেশকে প্রতিফলিত করে, সেই সঙ্গে হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের দিকে আকৃষ্ট হওয়া সশস্ত্র ব্যক্তিদের সংখ্যা যে বাড়ছে, তাও দেখায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত এবং আমরা আমাদের কৌশলে আত্মবিশ্বাসী থাকলেও, হুমকির মামলার সংখ্যা বাড়ায় আমরা উদ্বিগ্ন।’
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব মার্কওয়েন মুলিন বলেন, ‘আমাদের সাহসী সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ, গাড়িতে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ এই অপরাধী অবৈধ অভিবাসী কাউকে ক্ষতি করার আগেই হোয়াইট হাউসের কাছে গ্রেপ্তার হয়েছেন।’




