সোমবার সংসদের চতুর্থ অধিবেশন, কেন্দ্রবিন্দুতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন সোমবার (৯ নভেম্বর) শুরু হচ্ছে। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হতে যাওয়া এই অধিবেশন চলবে আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।
এবারের অধিবেশনে ৩টি অধ্যাদেশ ও সরকারি বিল উত্থাপন এবং তা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার ও গণভোটের রায় কার্যকরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রাধান্য পেতে পারে।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সংক্ষিপ্ত এই অধিবেশন আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৮ কার্যদিবস চলতে পারে।
রোববার বিকেলে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্য ও হুইপগণ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানান, সরকারি ছুটি ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে অধিবেশন শুরু হবে। তবে প্রয়োজনে স্পিকার সময় ও কার্যদিবসে পরিবর্তন আনতে পারবেন।
এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৭৪টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের জন্য ৩ হাজার ৫৭৭টি প্রশ্ন জমা পড়েছে।
এই অধিবেশনে সরকারি বিল, প্রশ্নোত্তর পর্ব ও জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ নিয়ে সাধারণ আলোচনার মতো নিয়মিত কার্যক্রম থাকবে। তবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকর করার পদ্ধতি নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যকার মতপার্থক্য রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে।
যদিও এবারের অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের কোনো বিল আসছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এদিকে সংসদ অধিবেশন নির্বিঘ্ন করতে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। ওই অধিবেশনে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিলসহ মোট ৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছিল।



