মধ্যবর্তী নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে জনসন: জরিপ রিপাবলিকানদের উদ্দীপনা কম করে দেখাচ্ছে, বামে ঝোঁকাই ভোট টানবে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের এক সপ্তাহ বাকি থাকতে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন সতর্ক করেছেন, রিপাবলিকান ভোটারদের উদ্দীপনাকে যেন কম করে না দেখা হয়। জাতীয় জরিপে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে থাকলেও ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ক্রমেই বামমুখী কর্মসূচি আমেরিকানদের রিপাবলিকানদের দিকে ঠেলে দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
সোমবার ‘দ্য ইনগ্রাহাম অ্যাঙ্গল’ অনুষ্ঠানে জনসন বলেন, ‘এই ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিলে তা ওবামার বছরগুলো এবং বাইডেন-হ্যারিসের বছরগুলোর চেয়েও পাগলাটে হবে, কারণ তারা অনেক বামে সরে গেছে। মানুষ তা দেখছে, আর আমার মনে হয় এতে আমাদের পক্ষে উদ্দীপনা বাড়বে।’
রয়টার্স-ইপসসের নতুন এক জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের ৪৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৬ শতাংশ রিপাবলিকানদের পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে জনসনের যুক্তি, জরিপগুলো বাস্তব অবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছে না এবং রিপাবলিকানদের উদ্দীপনা কম করে দেখাচ্ছে।
জনসন দাবি করেন, অবিশ্বাসের কারণে রিপাবলিকান ভোটাররা ক্রমেই জরিপ ও সমীক্ষায় অংশ নিতে অনিচ্ছুক হয়ে উঠছেন। আগামী এক সপ্তাহে তিনি ২১টি অঙ্গরাজ্য সফর করবেন বলেও জানিয়েছেন।
তিনি ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার (ডিএসএ) নীতিগত অবস্থানের নিন্দা করেছেন, যার সঙ্গে কয়েকজন বিশিষ্ট মধ্যবর্তী নির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী নিজেদের যুক্ত করেছেন। সীমান্ত ও কারাগার বিলোপ এবং পুলিশের তহবিল কমানোর প্রস্তাব দেশের জন্য বিপজ্জনক হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
জনসন ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ‘বৈপরীত্যের নির্বাচন’ বলে বর্ণনা করে বলেছেন, ভোটারদের সামনে পছন্দ হলো ‘সাধারণ বুদ্ধি’ বনাম ‘পাগলামি’। তার ভাষায়, প্রতিটি ভোটারকে প্রশ্ন করতে হবে, কোন নীতির সেটটি তার পরিবার, বয়স্ক বাবা-মা ও সন্তানদের জন্য ভালো।
তিনি আরও বলেছেন, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় গেলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের রাজনীতি করবে, সীমান্ত খুলে দেবে এবং ওয়ার্কিং ফ্যামিলিজ ট্যাক্স কাট বাতিলের চেষ্টা করবে। ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেস দখল করলে পরের কংগ্রেসে দুই বছর ধরে প্রতিদিন বিশৃঙ্খলা চলবে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।




