প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার পথে ব্রাজিলের সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো, পাসপোর্ট জমার সময়সীমা পার

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা ভোটে বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে হেরে যাওয়ার দুই দিন পর মঙ্গলবার দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে রওনা হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে কট্টর ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোর। তাঁর এক মিত্র রয়টার্সকে তাঁর দেশত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম মেট্রোপোলেস পরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সূত্রে জানিয়েছে, বলসোনারোর ফ্লাইটের গন্তব্য ফ্লোরিডা। সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ৪৫ বছর বয়সী এই আইনপ্রণেতা মঙ্গলবার সকাল থেকে জনসম্মুখে ছিলেন না।
তাঁর এই যাত্রা এমন সময়ে এল, যখন তাঁর সাধারণ ও কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা মঙ্গলবার দুপুরে শেষ হয়ে গেছে। ব্রাজিলের সংবাদপত্র ফোলহা দে সাও পাওলো জানিয়েছে, অর্থ পাচারসহ অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে বলসোনারোর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, বলসোনারো ওই আদেশ মেনেছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। রোববারের দ্বিতীয় দফা ভোটে লুলা তাঁকে হারানোর এক দিন পর, সোমবার তাঁকে পাসপোর্ট জমার আদেশ দেওয়া হয়।
শতভাগ ভোট গণনা শেষে লুলা পেয়েছেন ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট। তিনি বলসোনারোকে হারিয়েছেন প্রায় ৪৪ লাখ ভোটের ব্যবধানে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের খবরে বলা হয়েছে, বলসোনারো নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এবং জালিয়াতির অভিযোগ তুলে নির্বাচনের ফল বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন।
চতুর্থবারের মতো, তবে টানা নয়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর সমর্থকদের উদ্দেশে লুলা ব্রাজিলের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
লুলা বলেন, ‘নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে পছন্দ করতে কেউ বাধ্য নয়, কিন্তু তাঁকে সবার জন্য শাসন করতে হবে।’ প্রতিপক্ষের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল অস্বীকারবাদ ও মিথ্যার পরাজয়।’
ফক্স নিউজ ডিজিটালের মন্তব্যের অনুরোধে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দিতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।



