মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মায় গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই কর্মীরই মরদেহ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া দুই ব্যক্তিরই মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
মঙ্গলবার মারুফ এবং বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফায়ার সার্ভিস ও মাওয়া নৌ পুলিশ তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে।
মারা যাওয়া দুজনই শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের কর্মী। মারুফের বাড়ি ঢাকার খিলগাঁও এলাকায়। রাসেলের বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার গুলশাখালী গ্রামে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের আটজন কর্মী পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে নদীতে গোসল করতে নামেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও মারুফ ও রাসেল নিখোঁজ হন।
ওই দিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। মঙ্গলবার মারুফের মরদেহ উদ্ধার হয় বলে তিনি জানান।
মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মালেক খসরু খান জানান, বুধবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে পদ্মা সেতুর ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার পূর্বে লৌহজং উপজেলার বড় নওপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীতে রাসেলের মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। পুরাতন লৌহজং থানা জামে মসজিদের প্রায় ১০০ মিটার পূর্ব দিক থেকে মাওয়া নৌ পুলিশের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার মারুফের মরদেহ তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাসেলের মরদেহও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।




