ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সান্ধ্য আইন’ চালুর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, গুজবে বিভ্রান্ত না হতে বললেন উপাচার্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘সান্ধ্য আইন’ চালুর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি বলেছেন, এ নিয়ে যে প্রচারণা চলছে, তা প্রশাসন অনুমোদন করেনি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, “সান্ধ্য আইন চালু নিয়ে যে প্রচারণা চলছে, তা প্রশাসন অনুমোদন করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি স্পষ্ট করে বলছি—এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ বা চিন্তা করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা এসব গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তি ও প্রমাণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কোনো বিষয়ে সংশয় বা প্রশ্ন দেখা দিলে শিক্ষার্থীদের সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি কিংবা হলের প্রভোস্টের মাধ্যমে প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেন উপাচার্য।
এ ধরনের বিষয় প্রশাসন গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেবে বলেও শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দেন তিনি।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।




