নির্বাচনে হেরে স্থলপথে আর্জেন্টিনা হয়ে ফ্লোরিডায় ফ্লাভিও বলসোনারো, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ মানেননি

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পৌঁছেছেন ফ্লাভিও বলসোনারো। বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি মায়ামি-ওপা লোকা এক্সিকিউটিভ বিমানবন্দরে নামেন।
বিমান থেকে নামার সময় আলোকচিত্রীরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। এ সময় তাঁর সহযোগীরা ছাতা দিয়ে তাঁকে আড়াল করার চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ব্রাজিল থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে যাননি ফ্লাভিও। আর্জেন্টিনার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫০ মিনিটে তিনি স্ত্রী ফার্নান্দা এবং দুই মেয়ে লুইজা ও ক্যারোলিনাকে নিয়ে স্থলপথে দেশটিতে প্রবেশ করেন।
এরপর তাঁদের বহনকারী বিমানটি জ্বালানি নেওয়ার জন্য ইকুয়েডরের বৃহত্তম শহর গুয়ায়াকিলে থামে। সেখান থেকে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামির উদ্দেশে রওনা হন।
যাত্রার এই পথ ও সময়সূচি থেকে স্পষ্ট, ফ্লোরিডায় পৌঁছানোর আগে ফ্লাভিও অন্তত দুটি দেশ হয়ে এসেছেন—প্রথমে স্থলপথে আর্জেন্টিনা, তারপর বিমানে ইকুয়েডরে যাত্রাবিরতি।
ব্রাজিলের কর্তৃপক্ষ তাঁর পাসপোর্ট বাতিল করার একদিন পর মায়ামির বিমানবন্দরে তাঁকে দেখা গেল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল, তবে তিনি সেই নির্দেশ মানেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচনে পরাজয়ের পর দুই দিন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। সেই অনুপস্থিতিতে তাঁর অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, যা ফ্লোরিডায় তাঁর উপস্থিতি প্রকাশ পাওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ফ্লাভিওর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত চলছে। তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ফ্লোরিডাই তাঁর চূড়ান্ত গন্তব্য কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।



