ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের চূড়ান্ত হিসাবে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী, সর্বনিম্ন ভোট মাত্র ৪৫০

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে জামানত হারিয়েছেন তিন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগও পাননি তারা কেউই।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হোসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
ফলাফল অনুযায়ী, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ২৮৯ ভোট। বটগাছ প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী পেয়েছেন ৮৩৬ ভোট। আর ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের হোসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক পেয়েছেন মাত্র ৪৫০ ভোট।
এই উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সাল আমিন ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোটগ্রহণ শেষে ঠাকুরগাঁও জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির হলরুমে ১৮৫টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম। তার স্বাক্ষরিত প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলের শিট থেকেই প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের এই তথ্য জানা গেছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩০টি; এর মধ্যে বৈধ ভোট ৩ লাখ ২৯ হাজার ৫টি। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ প্রায় ৪১ হাজার ৭৯১ ভোট। ফলে জামানত হারানো তিন প্রার্থীর কেউই নির্ধারিত ভোটের সীমায় পৌঁছাতে পারেননি।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের জারি করা পরিপত্রেও এই শর্ত উল্লেখ করা হয়েছিল।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ছিলেন চারজন।




