ভোট ফেসবুকে হলে জাতীয় নির্বাচনেও জামায়াত জিতত: আবু হানিফ

জাতীয় নির্বাচনেও জামায়াত জয়ী হতো, যদি নির্বাচন ফেসবুকে হতো—এমন মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আবু হানিফ তাঁর পোস্টে বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।
ফলে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪০৪ ভোটের বিশাল ব্যবধানে ধানের শীষের প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আবু হানিফ বলেন, হেরে যাওয়ার পর জামায়াত নানা অভিযোগ সামনে নিয়ে আসছে, যদিও এটা তাদের পুরনো চরিত্র।
তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে জামায়াত তাদের সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছিল। জামায়াতের শীর্ষ নেতারা ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও গিয়ে দাঁড়িপাল্লার জন্য প্রচারণা করেছিল। কিন্তু জনগণ তাদের ডাকে সাড়া দেয়নি।’
আবু হানিফের ভাষায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় জামায়াত এমন হাইপ তুলেছিল, মনে হচ্ছিল নির্বাচনের আগেই জামায়াত জিতে গেছে। এটা শুধু ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে নয়, জাতীয় নির্বাচনের আগেও জামায়াত সোশ্যাল মিডিয়ায় একই ক্যাম্পেইন করেছিল বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপি এবং জামায়াতের প্রার্থীদের নিয়ে পোল করেছিল; সেগুলোতে বট বাহিনী ভোট দিয়ে জামায়াতের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী দেখানো হয়েছিল। এসবই ছিল মানুষের সঙ্গে জামায়াতের প্রতারণা বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আবু হানিফ বলেন, বিষয়টা এমন যে—শুধু ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে নয়, জাতীয় নির্বাচনেও জামায়াত জয়ী হতো যদি নির্বাচন ফেসবুকে হতো। কেননা জামায়াতের ভোটার তো জনগণ নয়, তাদের ভোটার হলো বটবাহিনী। আর এই বাহিনী দিয়ে জামায়াত ফেসবুক দখল করে রেখেছে বলে তিনি দাবি করেন।




