শাল্লায় যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীর বাড়ি ও দোকানে হামলার অভিযোগে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষীর বাড়ি ও দোকানে হামলা-লুটপাটের অভিযোগে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকালে শাল্লা থানায় মামলাটি করেন যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষী দুলাল মিয়ার মেয়ে উজ্জ্বলা আক্তার।
গত ২৯ অক্টোবর রাতে হামলা হয়েছে তুলে ধরে করা এই মামলায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ৭০ জনকে।
বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৩ অক্টোবর উজ্জ্বলার দোকানে চুরি হলে তিনি থানায় জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসায় হামলাকারীরা ক্ষিপ্ত হয়।
এরপর ২৯ অক্টোবর রাত ৯টার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি জলিল মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও স্বজন শাহিন মিয়ার নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
ভাঙচুরের সময় তারা দোকানের নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ তুলেছেন বাদী।
এ সময় বাধা দিলে নারী ও শিশুসহ পাঁচজন আহত হওয়ার অভিযোগও তুলেছেন বাদী।
উজ্জ্বলা আক্তার বলেন, পরে হামলাকারী ও তাদের স্বজনরা বলে বেড়ায় যে মাদক বিক্রির জেরে এলাকার লোকজন হামলা চালিয়েছে।
তিনি বলেন, তিনি মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে থাকেন। তাঁর ভাষায়, তাঁরা নিরীহ মানুষ, হামলাকারীরা খুবই প্রভাবশালী এবং তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস এলাকার কারও নেই।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সুহেল বলেন, দৌলতপুরে একটি পরিবারের বাড়িতে হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে।



