প্রায় ৩০ বছর পর স্কুলবন্ধুদের পেয়ে আবেগাপ্লুত চঞ্চল চৌধুরী, চোখে জল সবার

জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর কাছে এবারের পূজার ছুটির সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল স্কুলজীবনের বন্ধুদের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর দেখা হওয়া। প্রায় ৩০ বছর পর স্কুলসহপাঠীদের নিয়ে এক হয়েছিলেন তিনি, আর সেই পুনর্মিলনের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নিয়েছেন এই অভিনেতা।
সম্প্রতি বন্ধুদের সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে চঞ্চল লিখেছেন, “অনেকদিন পর স্কুল সহপাঠীদের সাথে দেখা। প্রায় তিরিশ বছর পর আমরা একসাথে হলাম স্কুল বান্ধবী মর্জিনার বাড়িতে। অন্তরের টানে আমরা এখনও একই জায়গায় রয়ে গেছি!!!”
পুনর্মিলনে বান্ধবী মর্জিনার আতিথেয়তার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন তিনি। পুরোনো দিনের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে অভিনেতা লিখেছেন, “পুরনো সেই দিনের কথা ….. মর্জিনা সেই পাগলটাই রয়ে গেছে!!!” বন্ধুদের আপ্যায়নে মর্জিনা কোনো কমতি রাখেননি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আপ্যায়নের বর্ণনা দিতে গিয়ে চঞ্চল লিখেছেন, “খাবার দাবার দিয়ে এলাহী কান্ড!!! নিজে হাতে জোর করে খাওয়ালো।” দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের কাছে পেয়ে মর্জিনা নিজেও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি।
সেই মুহূর্তের কথা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, “মাঝখানে একবার দেখলাম এতদিন পর বন্ধুদের কাছে পেয়ে, মর্জিনা আবেগে আনন্দে ফ্যাৎ করে কেঁদেও ফেললো। তখন বোধ আমাদের সবার চোখই জলে চিক চিক করছিল।”
বন্ধুদের সঙ্গে এই সময়টুকু তাঁর কাছে কতটা বিশেষ ছিল, তা-ও স্পষ্ট হয়েছে পোস্টে। চঞ্চল লিখেছেন, “এবারের পুজার ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে এটাই ছিলো সবচেয়ে বড় আনন্দ!!!”
পোস্টের শেষাংশে বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, “ভালো থাকিস বন্ধুরা! হুমায়ুন, বক্কার, বাদশা, মর্জিনা, জয়নাল, অরুন, তোফাজ্জল, দিলীপ …… আমার প্রানের বন্ধুরা!!!”
এর আগে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে চঞ্চলের শৈশবের বন্ধু তোফাজ্জল হোসেন ও জিলহাজুর রহমান বাদশার সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা উঠে এসেছিল। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রামের স্কুলজীবন থেকে শুরু হওয়া তাঁদের বন্ধুত্ব চার দশকেরও বেশি সময় ধরে টিকে আছে, আর গ্রামে গেলে এখনো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেন চঞ্চল।



