…English
বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
প্রচ্ছদ › রাজনীতি › খবর
রাজনীতি

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের পথে সরকার, ডিসেম্বরে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের পথে সরকার, ডিসেম্বরে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সাংবিধানিক সংশোধনের পথেই এগোচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে গঠিত বিশেষ কমিটি রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক, জুলাই আন্দোলনের অংশীজন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আলোচনা শেষ করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিটি। তবে সনদের বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্নমত এবং বিরোধী দল কমিটির কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ায় বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জুলাই জাতীয় সনদে নোট অব ডিসেন্টসহ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই তা বাস্তবায়ন করা হবে। সনদের যেসব প্রস্তাব কার্যকর করতে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন, সেগুলো সংসদীয় প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে এ প্রক্রিয়ার পদ্ধতি ও সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ গত ২০ সেপ্টেম্বর জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। এরপর আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সংবিধানে ১৮তম সংশোধনী বিল আনা হবে।

তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি, আইনজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, জুলাই যোদ্ধা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হবে। দ্রুত কাজ শেষ করতে সম্ভব হলে প্রতি সপ্তাহে একটি করে বৈঠক করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এটি ছিল সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক। সর্বশেষ গত ২৮ অক্টোবর সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিশেষ কমিটি এরই মধ্যে রাজনৈতিক দল ও জোট, পেশাজীবী প্রতিনিধি, বিশিষ্ট নাগরিক, আইন বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যমের সম্পাদক ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে। জুলাই আন্দোলনের শহীদ এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের প্রত্যাশাও শুনেছে কমিটি।

জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের জন্য মোট ৮৪টি প্রস্তাব রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে এর মধ্যে ৪৭টি সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এবং বাকি ৩৭টি বিদ্যমান আইন, অধ্যাদেশ, বিধি বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকায় সেগুলোর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন হচ্ছে।

বিএনপির ভিন্নমতের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষের গঠন ও ক্ষমতা, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার কিছু দিক এবং সংবিধান সংশোধনে উচ্চকক্ষের ভূমিকা। এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হলে সংশোধনের চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণ কঠিন হতে পারে।

এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিভাগভিত্তিক লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের রায়ের আলোকে আইনি পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কারসহ সাত দফা দাবিতে দেশব্যাপী লংমার্চ করছে বিরোধী দলীয় জোট।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গত ১ নভেম্বর এক আলোচনা সভায় বলেছেন, গণভোটের রায় মানতে হবে—এটি বিএনপি অস্বীকার করেনি। একইভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নেও দলটির আপত্তি নেই। তবে সনদের কিছু বিষয়ে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে। এসব বিষয়ে সংসদে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে হবে।

রিজভী বলেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জুলাই সনদে উল্লেখিত বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব। সব দল একত্র হয়ে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে পারে। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক পরিবেশে প্রতিটি সমস্যার সমাধান সংসদ ও আলোচনার টেবিলে হওয়া উচিত। এর আগে ৩১ অক্টোবরও রিজভী সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদের কিছু বিষয় সাধারণ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলেও কিছু বিষয় বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন। বিএনপি ও অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর আপত্তি ও প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসন করতে হবে।

এ বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের বিষয় নিয়ে সংসদীয় সর্বদলীয় কমিটি কাজ করছে। বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়েই এ লক্ষ্য অর্জনে এগোতে চেয়েছিল বিএনপি। কিন্তু বিরোধী দল কমিটিতে অংশ না নিয়ে বাইরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রিন্স বলেন, জুলাই সনদের ব্যাপারে বিএনপির সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো, জুলাই সনদ বিএনপি নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষর করেছে। যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, তা বাদে অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে দলটি। উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি উচ্চকক্ষ গঠন করবে। বিরোধী দলের অসহযোগিতার কারণে এ বিষয়ে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বিরোধী দলকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তাদের অংশগ্রহণ ছাড়াই কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও জানান এই নেতা। তিনি প্রত্যাশা করেন, চলতি বছরের মধ্যেই বিশেষ কমিটির কাজ শেষ হবে এবং নতুন বছর থেকে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

তবে বিএনপির এই অবস্থানের সঙ্গে একমত নন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী সংসদকে ১৮০ দিনের জন্য সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করা উচিত ছিল। বিএনপি সে পথে না গিয়ে সংবিধানের কথা বলেছে, যা তাঁর মতে রাজনৈতিক ভুল। তিনি আশা করেন, আগামী জানুয়ারিতে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কেউ যাতে স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠতে না পারে, সে ধরনের সাংবিধানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশাও জানান তিনি। বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ না করার সমালোচনা করে সাইফুল হক বলেন, কমিটিতে যুক্ত হয়েও বিরোধী দল নিজেদের আপত্তি ও সমালোচনা তুলে ধরতে পারত।

এদিকে সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গত ৩১ অক্টোবর রাজধানীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে কার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থায় রূপ দিতে রাজনৈতিক সমঝোতা, সাংবিধানিক স্পষ্টতা এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সব পক্ষের ঐকমত্যে পৌঁছানো জরুরি। সমঝোতার ভিত্তিতে কোনো অঙ্গীকার করা হলে তা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে পরিণত হয়। পরবর্তী সময়ে সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ হলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের জবাবদিহির প্রশ্ন তৈরি হয়। শুধু সাংবিধানিক সংশোধনী নয়, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তির ক্ষমতা ও আইনি কাঠামোর বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে বলেও তিনি বলেন।

সেমিনারে প্রধান বক্তার বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি ও ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, উচ্চ আদালত ও জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। সংসদীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটির সভাপতির দায়িত্ব বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়ার প্রস্তাবও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, কমিটিগুলোর এমন ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, যাতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যক্তিকে হাজির করতে এবং নথিপত্র তলব করতে পারে। সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ফিরোজ আহমেদ বলেন, কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কাজ করার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দিতে হবে। একই সঙ্গে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারেন। দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সাংবিধানিক সংশোধনের উদ্যোগ এগোলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য এখনো বড় বাধা হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে উচ্চকক্ষের গঠন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে রয়েছে ভিন্নমত। বিরোধী দল বিশেষ কমিটির কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ায় সমঝোতার পথ আরও জটিল হচ্ছে। ফলে সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে সংসদীয় আলোচনা ও রাজনৈতিক ঐকমত্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

রাজনীতি বিভাগের আরও খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমিন, ব্যাংকার থেকে সংসদ সদস্য
রাজনীতি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমিন, ব্যাংকার থেকে সংসদ সদস্য

জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফয়সল আমিন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে সংসদীয় আসন-৩ (ঠাকুরগাঁও-১) এর সংস…

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা নেওয়া হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান
রাজনীতি

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা নেওয়া হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান ও আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে তথ্য সংগ…

সংসদ সচিবালয়ে ১৭১ পদে নিয়োগের কাজ এগোচ্ছে, আসছে সাংগঠনিক সংস্কার ও পৃথক পার্লামেন্টারি সার্ভিস
রাজনীতি

সংসদ সচিবালয়ে ১৭১ পদে নিয়োগের কাজ এগোচ্ছে, আসছে সাংগঠনিক সংস্কার ও পৃথক পার্লামেন্টারি সার্ভিস

জনবল সংকট কাটাতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে ১৭১টি পদে নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সচিবালয়ের সাংগঠনিক কাঠামো সংস্কার এবং পৃথক …

‘আংশিক সংশোধন মানব না’—বিশেষ কমিটির সভা বর্জনের ঘোষণা ডাকসু জিএস ফরহাদের
রাজনীতি

‘আংশিক সংশোধন মানব না’—বিশেষ কমিটির সভা বর্জনের ঘোষণা ডাকসু জিএস ফরহাদের

গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সংবিধানের আংশিক সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন…