চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে প্রথম: প্রতিপক্ষের মাঠে ৯ গোল করে লঁসকে উড়িয়ে দিল কোমো
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইতিহাস গড়ল ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। ফরাসি ক্লাব লঁসের মাঠে খেলতে নেমে স্বাগতিকদের ৯-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে সেস ফাব্রেগাসের দল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে অ্যাওয়ে ম্যাচে ৯ গোল করল কোমো।
এবারই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অভিষেক মৌসুম খেলছে কোমো। প্রথমবার ইউরোপের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় নেমেই দারুণ ছন্দে রয়েছে ইতালিয়ান ক্লাবটি। চার ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের তৃতীয় জয়, আর এই জয়ে লিগ পর্বের পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে দলটি।
এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অ্যাওয়ে দল হিসেবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছিল বায়ার্ন মিউনিখের। ২০২০ সালে নিরপেক্ষ ভেন্যু লিসবনে বার্সেলোনাকে ৮-২ গোলে হারিয়েছিল জার্মান ক্লাবটি। জয়ের ব্যবধানের দিক থেকেও এটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে যৌথভাবে সবচেয়ে বড় জয়; এর আগে লিভারপুল ও রিয়াল মাদ্রিদ ঘরের মাঠে যথাক্রমে বেসিকতাস ও মালমোকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল।
লঁসকে উড়িয়ে দেওয়ার পথে কোমোর হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন তাসোস দুভিকাস। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দলটির চারটি ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। ছয় গোল নিয়ে এবারের প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন এই ফরোয়ার্ড।
গোল পেয়েছেন আর্জেন্টাইন তরুণ প্রতিভা নিকো পাজও। তবে গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে উদ্যাপনে মাতেননি তিনি। বরং তেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের ছবি সংবলিত একটি টি-শার্ট হাতে তুলে নেন পাজ। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে মাঠে সংঘর্ষের পর মারা গিয়েছিলেন দে মিগেল। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তেনেরিফের যুব দলে খেলেছিলেন পাজ।
কোমোর হয়ে একটি করে গোল করেছেন লুকাস দা কুনহা, মার্ক-অলিভার কেম্পফ, মাত্তিয়া লিবেরালি, মার্তিনা বাতুরিনা ও মাত্তেও পাপাচ্চিওলি।
বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন ১৮ বছর বয়সী পাপাচ্চিওলি। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামা এই ফুটবলার কোমোর যুব দলের সদস্য। ইতালির শীর্ষ লিগ সিরি আ-তে এখনো খেলার অভিজ্ঞতা হয়নি তাঁর, অথচ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে গোলের দেখা পেয়ে গেলেন তিনি।




