…English
বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
প্রচ্ছদ › শিক্ষা › খবর
শিক্ষা

লালমনিরহাটে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৬.৭১ শতাংশ, ছয় প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

নিজস্ব প্রতিবেদক
লালমনিরহাটে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৬.৭১ শতাংশ, ছয় প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ
ছবি: সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে লালমনিরহাট জেলায় সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ জেলায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের অর্ধেকের বেশি এবার উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। বোর্ডের অধীন আট জেলার মোট ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার পাস করতে পারেনি। এর মধ্যে লালমনিরহাটের ছয়টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

লালমনিরহাটে শূন্য পাসের হারের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলায় তিনটি, হাতীবান্ধা উপজেলায় দুটি এবং আদিতমারী উপজেলায় একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার হাতীবান্ধা মডেল কলেজ থেকে এবার ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন, কিন্তু তাদের কেউ পাস করেননি। একই উপজেলার আমিনুর রহমান কলেজ থেকে অংশ নেওয়া একমাত্র পরীক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

কালীগঞ্জ উপজেলার সোনারহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন, দুহুলী এসসি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন এবং দক্ষিণ ঘনশ্যাম স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের কেউই পাস করেননি।

আদিতমারী উপজেলার গন্ধমরুয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। সেই দুজনের কেউও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। সব মিলিয়ে জেলার ছয়টি প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ১৮ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

জেলা পর্যায়ের হিসাবে লালমনিরহাট থেকে মোট ৭ হাজার ৪৫৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৩৩৫ জন ছাত্র এবং ৪ হাজার ১২০ জন ছাত্রী ছিলেন।

মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩ হাজার ৪৮২ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ২ হাজার ১১৯ জন।

ছাত্রদের পাসের হার ৪০ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। সেই হিসাবে জেলায় ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের তুলনায় বেশি।

এ বছর জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০২ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৬ জন ছাত্র এবং ৬৬ জন ছাত্রী।

সামগ্রিক পাসের হারে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার মধ্যে লালমনিরহাটের অবস্থান তৃতীয়। অবস্থান তৃতীয় হলেও জেলার অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের হার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, নিয়মিত পাঠদানের ঘাটতি এবং চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকসংকটসহ নানা কারণে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে লালমনিরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

শিক্ষা বিভাগের আরও খবর

পঞ্চগড়ের ৬৬৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৯৫টিতেই নেই নিয়মিত প্রধান শিক্ষক
শিক্ষা

পঞ্চগড়ের ৬৬৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৯৫টিতেই নেই নিয়মিত প্রধান শিক্ষক

পঞ্চগড় জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় ৬০ শতাংশ চলছে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। জেলার পাঁচ উপজেলায় মোট ৬৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয…

বগুড়ায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ: কাহালুর কলেজে একমাত্র পরীক্ষার্থীও অকৃতকার্য, টিকিয়ে রাখতে শিক্ষকদের নিজের টাকায় ভর্তি
শিক্ষা

বগুড়ায় পাঁচ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ: কাহালুর কলেজে একমাত্র পরীক্ষার্থীও অকৃতকার্য, টিকিয়ে রাখতে শিক্ষকদের নিজের টাকায় ভর্তি

চলতি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বগুড়া জেলার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে কাহালু উপজেলার আল্লামের তাক…

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত ইবি ক্যাম্পাস, সব ভবন ও হলে সৌর প্যানেল বসানোর দাবি ছাত্রদলের
শিক্ষা

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত ইবি ক্যাম্পাস, সব ভবন ও হলে সৌর প্যানেল বসানোর দাবি ছাত্রদলের

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের বিকল্প সমাধান হিসেবে সৌর প্যানেল স্থাপনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছা…

গবেষণা মাঠে সচিবালয় ঠেকাতে চতুর্থ দিনেও রাস্তায় শেকৃবির শিক্ষার্থীরা, আগারগাঁওয়ে এক ঘণ্টা যান বন্ধ
শিক্ষা

গবেষণা মাঠে সচিবালয় ঠেকাতে চতুর্থ দিনেও রাস্তায় শেকৃবির শিক্ষার্থীরা, আগারগাঁওয়ে এক ঘণ্টা যান বন্ধ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) গবেষণা মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় নির্মাণের উদ্যোগের প্রতিবাদে টানা চতুর্থ দিনের ম…